সাম্প্রতিক ফিসফাস

সাধারণতঃ আমি নাগরিক হিসাবে বেশ ভালো। নিয়মানুবর্তিতা এবং নির্দেশানুসারে চলাটা একদম রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। এতদিনের সরকারি মুটেগিরির এফেক্ট বলতে পারেন। চট করে খাঁই মাই করে প্রতিবাদ না করে আগে দেখার চেষ্টা করি ব্যাপারটা কি। বিশেষতঃ সরকার বা রাষ্ট্রযন্ত্র ভিতরে থাকলে তো বটেই।

১৭ বছর হয়ে গেল সরকারি ঠিকানায়, লোকে বলে সরকারি চাকুরেগুলো নাকি ফ্রিতে বিষ পেলেও তা খেয়ে নেবে! তারা আরও বলে, সরকারি কর্মচারীদের কাজ করতে হয় না! ‘আসি যাই মাইনে পাই, কাজ করলে ওভারটাইম পাই’! একজন সরকারি কর্মচারীর দিনপঞ্জী লিখতে গিয়ে এটাই মোটামুটি ট্র্যাডিশন ধরে নেওয়া হয় যে সে এগারোটায় অফিস যায়, ছেলে হলে দুটো ফাইল নাড়িয়ে চা খেতে বসে মহিলা হলে উল বুনতে বসে। দুপুরে লাঞ্চ দেড় ঘন্টা তার পর এক কাপ চা খেয়ে বাড়ি। ভালো কথা! যুগ যুগ ধরে সরকারি চাকুরেরা ইম্প্রেশনটা সেইরকমই করে রেখেছেন বলেই না এসব কথা!

আবার নদীর এপারের গল্পও আছে, সরকারি চাকর হবার জন্য নাওয়া খাওয়া ভুলে সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা অব্ধি ঘস্টানো, মন্ত্রী বা আমলাদের পা চাটা, ঘাড়টাকে তলপেট পর্যন্ত নুইয়ে তাদের মনমর্জিমাফিক ল্যাজ নেড়ে যাওয়া, না পারলেই কম্ফোর্ট জোনের বাইরে ছুঁড়ে ফেলা। এরপরেও কাজ করলেও একই মাইনে কাজ না করলেও! বরং যারা কাজ করে, ঘাড় সোজা রেখে কাজ করে তাদের ধরে ধরে মাঝেই তুর্কীর ক্যুতে চুকিতকিত খেলতে পাঠানো হয়।

... আরো
ফিসফাস কি?

না, ২৬শে অক্টোবর, ২০০৯-এ ভারত বিশ্বকাপ জেতে নি, বাইচুং (নাকি ভাইচুং?) ভুটিয়া বাইসাইকেল কিক মারেন নি, মনমোহন সিং কালোয়াতি গান গান নি, বুদ্ধ ধ্যান ভঙ্গ করেন নি, এমন কি মমতাও ক্ষমতা দেখান নি, তবুও মনে হয়েছিল যদি কোন রকমভাবে এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখা যায়। আসলে চারি দিক দেখে শুনে পচে গিয়ে হেদিয়েপড়েছিলাম মনে হল সব-ই তো লিখলাম একটু অন্যরকমঅন্যকিছু লিখি- নাকি?

... আরো
লেখক প্রসঙ্গে

সর্বঘটে কাঁঠালি কলা (Jack of All Trades and blah blah…) অথবা আর ডবলু এ বা পঞ্চায়েত নির্বাচনের গোঁজ প্রার্থী বলতে যা বোঝায় আদতে কোলকাতার কিন্তু অধুনা দিল্লীর বাসিন্দা, সরকারি চাকুরে সৌরাংশু তাই। দানবিক শরীর নিয়ে মানবিক বা আণবিক যে কোন বিষয়েই সুড়ুত করে নিজেকে মাপ মতো লাগিয়ে নিতে পারেন।

... আরো
সাম্প্রতিক খবর

ফিসফাস ২ প্রকাশিত

সেই যে সেই ৪ঠা ফেব্রুয়ারী, ২০১৩তে মুখ দেখালো তারপর রোলস রয়েসের গতিতে বাধাবিপত্তি পেরিয়ে বেস্ট সেলার হয়ে গেল। পাঠক/ পাঠিকারা তো প্রশ্ন করে করে হেদিয়ে যাচ্ছেন, “আহা পরেরটা কবে হবে গা?” তাই এই হয়ে গেল, প্রকাশক আর লেখক চাপ খেয়ে এই বইটিকে প্রথমটির থেকেও উন্নত করার চেষ্টা করবেন সে আর নতুন কথা কি? সিক্যুয়াল তো তখনই বানানো উচিত যখন তা প্রথমটির থেকে উন্নত হবে। তা পাঠক/ পাঠিকারা, এই যে এতদিন ধরে মইটা ধরে আছেন, তাঁদের ধন্যবাদ দিয়ে টিয়েই না হয় ছোলা গাছের উপরই বাড়ি বানাই।

... আরো
Copyright © All Rights Reserved